প্রতিষ্ঠানটি এর মাধ্যমে এমন এক বাজারে প্রবেশ করল, যা দীর্ঘদিন ধরে জাপানি গাড়ি নির্মাতাদের দখলে ছিল। খবর নিক্কেই এশিয়া।
বিওয়াইডি জাপানের প্রেসিডেন্ট লিউ শুয়েলিয়াং বলেন, জাপানের বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণের সময় স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে কেই গাড়ির চাহিদার কথা শুনেছেন তিনি। সেখান থেকেই এ শ্রেণীর গাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে প্রথমবারের মতো কোনো একক দেশের জন্য বিশেষভাবে যাত্রীবাহী গাড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় বিওয়াইডি।
কেই হলো জাপানের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ছোট আকারের গাড়ি। জাপানি ভাষায় এর অর্থ ‘হালকা মোটরযান’।
বিওয়াডির নতুন গাড়িটির নাম র্যাকো ইভি। এটি জাপানের কেই গাড়ির নির্ধারিত আকার ও প্রযুক্তিগত মান অনুসরণ করে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দেশটিতে নতুন বিক্রি হওয়া গাড়ির ৩০ শতাংশেরও বেশি এ শ্রেণীর। কম কর ও কম খরচের কারণে এসব গাড়ির জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। গত বছর জাপানে ১৬ লাখ ৬০ হাজারের বেশি কেই গাড়ি বিক্রি হয়েছে।
বিওয়াইডি জানায়, কোম্পানিটি বছরে ১০ হাজার র্যাকো ইভি বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
র্যাকো ইভির প্রাথমিক সংস্করণের দাম ২১ লাখ ৫০ হাজার ইয়েন (প্রায় ১৩ হাজার ডলার)। সর্বোচ্চ সংস্করণের দাম ২৫ লাখ ইয়েন। একবার চার্জে এটি সর্বোচ্চ ৩২০ কিলোমিটার চলতে পারে।
গাড়িটিতে স্লাইডিং দরজা ও সব সংস্করণেই উন্নত চালকসহায়ক ব্যবস্থা (এডিএসএ) রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এটি বিশ্বের প্রথম সফটওয়্যার-ভিত্তিক তৈরি কেই গাড়ি।
উল্লেখ্য, জাপানে বর্তমানে নতুন গাড়ি বিক্রির মধ্যে ২ শতাংশ ইভি। সীমিত চার্জিং অবকাঠামো ও তুলনামূলক বেশি দামের প্রধান কারণ বলে মনে করেন বাজার বিশ্লেষকরা।